গেমিং বিনোদনের জন্য, আসক্তির জন্য নয়। ek7 বিশ্বাস করে প্রতিটি খেলোয়াড় সচেতনভাবে, সীমার মধ্যে থেকে উপভোগ করবেন। আমাদের সরঞ্জাম ও গাইড আপনাকে সবসময় নিরাপদ রাখবে।
দায়িত্বশীল খেলা মানে শুধু নিয়ম মানা নয় — এটা একটা মানসিকতা। ek7 প্ল্যাটফর্মে প্রতিটি খেলোয়াড়কে সচেতনভাবে গেমিং উপভোগ করার সুযোগ দেওয়া হয়। অনলাইন গেমিং বিনোদনের একটি চমৎকার উপায়, কিন্তু সঠিক সীমা না মানলে এটি ক্ষতিকর হয়ে উঠতে পারে।
বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে। তরুণ প্রজন্ম থেকে শুরু করে সব বয়সের মানুষ এখন মোবাইলে গেম খেলছেন। এই পরিস্থিতিতে দায়িত্বশীল গেমিংয়ের গুরুত্ব আরও বেড়েছে। ek7 চায় প্রতিটি সদস্য সুস্থ ও সুখী থাকুন — গেমিং যেন জীবনের বাধা না হয়ে বরং বিনোদনের সুস্থ মাধ্যম হয়।
আমরা বিশ্বাস করি, সচেতন খেলোয়াড়ই প্রকৃত খেলোয়াড়। তাই ek7 একাধিক সরঞ্জাম ও সম্পদ তৈরি করেছে যা আপনাকে সবসময় নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করবে।
মনে রাখুন: গেমিং হলো বিনোদন, আয়ের উপায় নয়। সবসময় হারানোর ক্ষমতার মধ্যেই বাজি ধরুন।
দৈনিক, সাপ্তাহিক বা মাসিক জমার সীমা নিজে ঠিক করুন। একবার সেট করলে সময়সীমা না পার হওয়া পর্যন্ত বাড়ানো যাবে না।
প্রতিটি গেমিং সেশনের জন্য সময়সীমা নির্ধারণ করুন। নির্দিষ্ট সময় পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে সতর্কবার্তা পাবেন।
২৪ ঘণ্টা, ৭ দিন বা ৩০ দিনের জন্য অ্যাকাউন্ট সাময়িক বন্ধ রাখুন। বিরতি নিন, মাথা ঠান্ডা করুন।
নির্দিষ্ট পরিমাণ হেরে গেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেশন বন্ধ হবে। নিজের বাজেটের বাইরে যাওয়া আর সম্ভব নয়।
দীর্ঘমেয়াদে অ্যাকাউন্ট বন্ধ রাখতে চাইলে স্ব-বর্জন বেছে নিন। ৬ মাস থেকে ৫ বছর পর্যন্ত মেয়াদ নির্ধারণ করা যাবে।
সীমার কাছাকাছি গেলে পুশ নোটিফিকেশন ও SMS-এর মাধ্যমে আপনাকে সতর্ক করা হবে।
গেমিং সমস্যা ধীরে ধীরে শুরু হয়। অনেকেই বুঝতে পারেন না কখন বিনোদন আসক্তিতে পরিণত হয়েছে। নিচের লক্ষণগুলো দেখা গেলে সতর্ক হওয়া জরুরি।
উপরের যেকোনো ২টি বা তার বেশি লক্ষণ দেখা গেলে দ্রুত আমাদের সাপোর্টে যোগাযোগ করুন অথবা স্ব-বর্জন সুবিধা নিন।
নিচের প্রশ্নগুলো মনে মনে উত্তর দিন। যদি বেশিরভাগের উত্তর "হ্যাঁ" হয়, তাহলে সাহায্য নেওয়ার কথা ভাবুন।
আপনি কি গেমিংয়ের জন্য নির্ধারিত বাজেটের বাইরে প্রায়ই অর্থ ব্যয় করেন?
হারার পর কি আরও বেশি খেলে টাকা ফেরত পাওয়ার চেষ্টা করেন?
পরিবার বা বন্ধুরা কি আপনার গেমিং অভ্যাস নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন?
গেমিং বন্ধ রাখতে গেলে কি অস্থিরতা বা বিরক্তি অনুভব করেন?
গেমিংয়ের কারণে কি কাজ, পড়াশোনা বা সম্পর্কে সমস্যা হচ্ছে?
আপনি কি গেমিং নিয়ে পরিচিতদের কাছে মিথ্যা বলেছেন বা তথ্য লুকিয়েছেন?
যদি ২ বা তার বেশি প্রশ্নের উত্তর "হ্যাঁ" হয় তবে আমাদের সাপোর্টে যোগাযোগ করুন। সাহায্য চাওয়া শক্তিমানের কাজ।
গেমিং ঝুঁকি সবার জন্য এক নয়। নিচের মাত্রাগুলো বুঝলে আপনি নিজেই বিচার করতে পারবেন আপনি কোথায় আছেন।
গেমিং শুরু করার আগে একটি স্পষ্ট বাজেট ঠিক করুন। এই বাজেট শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য বরাদ্দ করুন — খাওয়া, ভাড়া বা জরুরি খরচের টাকা কখনো গেমিংয়ে ব্যয় করবেন না।
গেমিংয়ে সময় কীভাবে চলে যায় তা অনেকে বুঝতে পারেন না। একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা আগে থেকেই ঠিক করে রাখুন এবং তা কঠোরভাবে মেনে চলুন।
রাগ, হতাশা বা একাকীত্ব থেকে গেমিং করলে বিপদ বাড়ে। মানসিকভাবে স্থির না থাকলে গেমিং থেকে বিরতি নেওয়াই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।
গেমিং সবসময় মজার হওয়া উচিত। যদি বিরক্ত বা উদ্বিগ্ন মনে হয়, তাহলে থামুন।
কিছু আচরণ গেমিংকে বিপজ্জনক করে তোলে। ek7 এই আচরণগুলো কঠোরভাবে নিরুৎসাহিত করে।
ek7 কঠোরভাবে ১৮ বছরের নিচে নিবন্ধন নিষিদ্ধ করে। পরিবারের ছোটদের সুরক্ষায় আপনার দায়িত্ব আছে।
সমস্যা হলে একা মোকাবেলা করার দরকার নেই। ek7 সবসময় পাশে আছে এবং সাহায্য করার জন্য প্রস্তুত।
ek7-এ আপনি যে ধরনের সীমা নির্ধারণ করতে পারবেন তার বিবরণ নিচে দেওয়া হলো।
| সীমার ধরন | মেয়াদ বিকল্প | কার্যকর হওয়ার সময় | বাতিল/পরিবর্তন |
|---|---|---|---|
| জমার সীমা | দৈনিক / সাপ্তাহিক / মাসিক | তাৎক্ষণিক | ২৪ ঘণ্টা পরে |
| ক্ষতির সীমা | দৈনিক / সাপ্তাহিক / মাসিক | তাৎক্ষণিক | ৭ দিন পরে |
| সেশন সময়সীমা | ৩০ মিনিট / ১ ঘণ্টা / কাস্টম | তাৎক্ষণিক | যেকোনো সময় |
| বিরতি (কুলঅফ) | ২৪ ঘণ্টা / ৭ দিন / ৩০ দিন | তাৎক্ষণিক | মেয়াদ শেষে |
| স্ব-বর্জন | ৬ মাস / ১ বছর / ৫ বছর | তাৎক্ষণিক | মেয়াদ শেষে |
আপনার ek7 অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করুন এবং উপরের ডানদিকে প্রোফাইল আইকনে ক্লিক করুন।
অ্যাকাউন্ট সেটিংস মেনু থেকে "দায়িত্বশীল গেমিং" বা "Responsible Gaming" অপশন খুঁজুন।
জমার সীমা, ক্ষতির সীমা, সময়সীমা বা বিরতি — যে সুরক্ষা চান তা নির্বাচন করুন।
কতটুকু সীমা চান এবং কত দিনের জন্য তা নির্দিষ্ট করুন। যাচাইয়ের জন্য OTP আসতে পারে।
সেটিং সেভ করুন। তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে এবং নিশ্চিতকরণ বার্তা পাবেন।